You cannot copy content of this page. This is the right with takmaa only

করোনার জেরে রোজগার হারালেও গড়িয়া স্টেশনে রমরমিয়ে চলছে সাট্টা

অম্বর ভট্টাচার্য, এবিপিতকমা, সোনারপুর, ১২ই নভেম্বর ২০২০ : একদিকে করোনার জেরে মানুষ বলছে রোজগার হারিয়েছে, মানুষের হাতে পয়সা নেই, মানুষের ব্যবসা আগের মত নেই, অনেক মানুষের ব্যবসা বন্ধ।কিন্তু এত কিছু সমস্যার মধ্যেও গড়িয়া স্টেশনে সাট্টার ব্যবসা চলছে বেশ রমরমিয়ে।এক্ষেত্রে সেই সব মানুষের হাতে সাট্টা খেলার জন্য অর্থ ঠিক যোগাড় হয়। তখন তাঁদের কোন অভাব থাকে না। কড়া লকডাউনের সময় বেশ কিছুদিন এই ব্যবসা বন্ধ ছিল।কিন্তু যেই লকডাউন থেকে আনলক হয়েছে সেইমাত্র এই ব্যবসা আবার তার পুরানো রূপ ধারণ করেছে। গড়িয়া সান্ধ্য বাজারে কিছু নেতাদের মদতে আবার শুরু হয়ে গেছে সাট্টার ব্যবসা।প্রশাসন আর নেতাদের মদত না থাকলে প্রকাশ্যে কিভাবে এই ব্যবসা চলছে? প্রশ্ন অনেকের। সকাল থেকে শুরু করে এই ব্যবসা চলেছে রাত পর্যন্ত। নরেন্দ্রপুর থানার টহলদারিকে উপেক্ষা করে চলছে সাট্টার পেলসিলারদের দাপট।

প্রশাসনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে রোজকার নিয়মে চলছে এই মরণ ব্যবসা।এই ব্যবসার জন্য বহু সংসার অভাবে পড়ছে। কিন্তু এই মরণ ব্যবসা নরেন্দ্রপুর থানার নজরদারিতে পড়ছে না কেন? প্রশ্ন এলাকার বহু মানুষের। তবে কি থানার মদতেই চলছে এই ব্যবসা? এলাকার রাজনৈতিক মহলের একাংশের মধ্যেও এই ব্যবসা নতুন করে চালু হওয়ায় অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। এক সময় গড়িয়া টাউন সভাপতি বিভাস মুখার্জির উদ্যোগে এই ব্যবসা বন্ধ হয়েছিল।যেখানে গড়িয়ায় লুকিয়ে দেহব্যবসা চলছে তার খোঁজ পেতে পারে পুলিশ আর প্রকাশ্যে সাট্টার ব্যবসা চলছে তার কোন খোঁজ থাকে না পুলিশের চোখে, এটা কিভাবে সম্ভব? এই ব্যবসা কোন নেতৃত্ব বা কোন প্রশাসন বন্ধ করতে পারছে না কেন? এর নেপথ্য কি বড় কারণ আছে তা মানুষের কাছে জলের মত পরিষ্কার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *