You cannot copy content of this page. This is the right with takmaa only

রাজপুর সোনারপুরের ২৮ নং ওয়ার্ডে পৌরমাতা নমিতা ও নরেন্দ্রপুর টাউন তৃণমূলের সভাপতি আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছেন লকডাউনে অসহায় মানুষের পাশে থাকতে

অম্বর ভট্টাচার্য, এবিপিতকমা, সোনারপুর, ২৭শে এপ্রিল ২০২০ : বিশ্বে করোনা জীবানুতে অসংখ্য মানুষ দিশাহারা হয়ে নিজেদের অস্তিত্ব বজায় রাখতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন।উভয় সঙ্কটে সারা বিশ্বের মানুষ, একদিকে অনাহারের যন্ত্রণা আবার অন্যদিকে মৃত্যুর আশঙ্কা। মানুষ কোনদিকে যাবে তা নিজেরাই ঠিক করতে পারছে না। এগোলেও বিপদ আবার পিছলেও বিপদ, দুদিকে মৃত্যুর হাতছানি। এই মুহুর্তে বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩০,২৫,৭২৬ জন আর মৃত্যু বেড়ে হয়েছে ২,০৯,০০১ মানুষ।মৃতের প্রথম তালিকায় রয়েছে আমেরিকা ৫৬,০০৯, ইতালি ২৬,৯৭৭, স্পেন ২৩,৫২১, ফ্রান্স ২২,৮৫৬, ইংল্যান্ড ২০,৭৩২, অনেক পিছনে আছে বেলজিয়াম ৭২০৭, জার্মানি ৫৯৮৫, ইরান ৫৮০৬, চীন ৪৬৩৩, নেদারল্যান্ড ৪৫১৮।এইসব দেশের থেকে অনেক অনুন্নত কিন্তু ভারত যার জনসংখ্যা ১ কোটি ৩০ লাখ হলেও আক্রান্তের সংখ্যা ২৮৩৮০ আর মৃতের সংখ্যা ৮৮৬। এটা অনেকেই মানতে রাজি নয়। কিন্তু ভারতে মোট আক্রান্ত প্রায় ৩০০০০ সেখানে পশ্চিমবঙ্গের আক্রান্তের সংখ্যা ৬৪৯ যেখানে মহারাষ্ট্রে আক্রান্ত ৮০৬৮, গুজরাত ৩৩০১, দিল্লি ২৯১৮, রাজস্থান ২১৮৫, মধ্যপ্রদেশ ২১৬৮, তামিলনাডু ১৮৮৫, উত্তরপ্রদেশ ১৯৫৫, অন্ধ্রপ্রদেশ ১১৭৭। শুধুমাত্র কেরল ও গোয়া বর্তমানে কোন নতুন সংক্রমণ না হওয়ার কারণে করোনা মুক্ত রাজ্য হিসাবে ঘোষিত হয়েছে। প্রথমদিকে কেরল সবার আগে ছিল কিন্তু তাঁরা লকডাউনকে সেভাবে মানার ফলে সংক্রমণের হার কমিয়ে ফেলেছে। কেরলে ৪৬৯ আক্রান্তের মধ্যে ৩৪২ জন করোনা মুক্ত হয়েছেন এবং মৃত্যু হয়েছে মাত্র ৪ জনের গোয়াতে ৭ জন করোনা আক্রান্ত হলেও ৭ জনই আজ করোনা মুক্ত হয়েছেন। এদিকে ২২শে মার্চ থেকে সারা দেশে শুরু হয় লকডাউন পরিস্থিতি যা বাড়তে বাড়তে ২১শে মে পর্যন্ত করতে বাধ্য হয়েছে কেন্দ্র সরকার, এবং তা মেনে নিয়েছে ভারতের সব রাজ্য। হয়তো আগামীদিনের পরিস্থিতিতে আরও বাড়তে পারে এই লকডাউন বলে মনে করছেন অনেক বিশেষজ্ঞরা।

এই রাজ্যের মানুষ এখন বুঝতে পারছে না গত এক মাস কোনভাবে কাটালেও কিভাবে কাটবে সামনের আরও একটা মাস যেখানে দোকান খুলছে না, বাজার খোলা বলতে গেলে সেভাবে বাজারে সবজির আমদানি নেই। পরিবহণ না চলার ফলে কোন অফিস, কারখানা বা ব্যবসা খোলা নেই।মানুষের ভাঁড়ারে এবার টান পড়তে শুরু করেছে, বিশেষ করে যারা দিন আনা শ্রেনীর মানুষ। তাদের জন্য যদিও রাজ্য সরকার চাল ও গম বিনা পয়সায় সরবরাহ করেছে কিন্তু শুধু তো চাল আর গম খেয়ে বাঁচতে পারে না মানুষ তাই তৃণমূলের বহু নেতৃত্ব নিজস্ব এলাকার মানুষদের খাদ্য সামগ্রীর মধ্যে ডিম, তেল, সোয়াবিন, নুন, ডাল বিতরণ করেছেন।সোনারপুর উত্তর বিধানসভা অন্তর্গত রাজপুর সোনারপুর পৌরসভার ২৮ নং ওয়ার্ডের পৌরমাতা নমিতা দাস অনেক আগে থেকেই ওয়ার্ডের বিভিন্ন পাড়ায় গিয়ে শুরু করে দিয়েছেন খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করতে। শুধু যে তিনি করেছেন তা কিন্তু নয়, নরেন্দ্রপুর টাউন তৃণমূলের সভাপতি গোপাল দাস নিজেও এই লকডাউনে থাকা অসহায় মানুষের পাশে থাকতে।

অন্যদিকে সোনারপুর উত্তর বিধানসভার বিধায়ক ফিরদৌসী বেগম আজকে নিয়ে আট দিন হল তাঁর বিধানসভায় দুঃস্থ, বয়স্ক, প্রদিবন্দি ও ভবঘুরে মানুষদের জন্য রান্না করা খাবার পৌঁছে দিতে। প্রতিদিন প্রায় ২৫০০ মানুষকে এই রান্না করা খাবার পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে পঞ্চায়েত ও পৌরসভা এলাকার মানুষদের জন্য।নমিতা দাস ও গোপাল দাস ইতিমধ্যে প্রায় ২৫০০ থেকে ৩০০০ মানুষকে খাদ্যসামগ্রী দিয়ে সহযোগিতা করেছেন।লকডাউন সময়সীমা বাড়ানোর জন্য প্রয়োজনে আরও সাহায্য করবেন নমিতা ও গোপাল দাস বলে জানান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *