খেলা

KKR vs RCB IPL: সিজনের শুরুতেই ঠাকুর দুর্দান্ত দ্রুততম ৫০ , শার্দুল-বরুণ জুটি প্রথম জয় এনে দিল KKRকে

অম্বর ভট্টাচার্য, তকমা নিউজ, কলকাতা, ৬ই এপ্রিল ২০২৩ : ইপিএলে ইডেনে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের সামনে জেতার জন্য ২০৫ রানের টার্গেট রাখল কলকাতা নাইট রাইডার্স। টস জিতে আরসিবি অধিনায়ক ফাফ দু প্লেসি কেকেআরকে ব্যাট করতে পাঠান। ২০ ওভারে ৭ উইকেট ২০৪ হারিয়ে রান তুলেছে নীতীশ রানার দল। নাইটদের হয়ে দুরন্ত অর্ধশতরান করলেন রহমানুল্লাহ গুরবাজ।

যদিও শততম আইপিএল ম্যাচে ফ্লপ আন্দ্রে রাসেল ফিরলেন গোল্ডেন ডাক নিয়ে। ভেঙ্কটেশ আইয়ার ও মনদীপ সিংকে পরপর দুই বলে বোল্ড করেন ডেভিড উইলি। গুরবাজ ও রাসেল পরপর দুই বলে কর্ণ শর্মার শিকার।

১১.৩ ওভারে ৮৯ রানে পাঁচ উইকেট পড়ে গিয়েছিল কলকাতা নাইট রাইডার্সের। এরপর হাল ধরেন শার্দুল ঠাকুর ও রিঙ্কু সিং। ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে তাঁরা ৫০ রান যোগ করে ফেলেন মাত্র ২১ বলে।

পাওয়ারপ্লে-র ৬ ওভারে কেকেআরের স্কোর ছিল ২ উইকেটে ৪৭। সপ্তম ওভারের প্রথম বলেই নাইট অধিনায়ক নীতীশ রানা কট বিহাইন্ড হন। ৫ বলে ১ রান করে সাজঘরে ফেরেন মাইকেল ব্রেসওয়েলের শিকার হয়ে। ৬টি চার ও তিনটি ছয়ের সাহায্যে গুরবাজ ৪৪ বলে ৫৭ রান করেন। গুরবাজকে ফেরানোর পরের বলেই রাসেলের উইকেট তুলে নেন কর্ণ। রাসেলের ক্যাচ ধরেন বিরাট কোহলি।

নাইটদের হোম ম্যাচে এদিন উপস্থিত রয়েছেন কর্ণধার শাহরুখ খান, জুহি চাওলা। টসের পরই মাঠে ঢোকেন কিং খান। দর্শকদের দিতে হাত নাড়েন। বি ব্লকের উপরে কর্পোরেট বক্সের সামনে দাঁড়িয়ে শাহরুখ, জুহি, জয় মেহতারা খেলা দেখেন। ছিলেন ঊষা উত্থুপ, বাবুল সুপ্রিয়, বিধায়ক তাপস রায়।

তিন বছর পর নিজেদের দূর্গ ইডেনে প্রত্যাবর্তন ঘটেছিল বেগুনি জার্সিধারীদের। সেই ম্যাচ স্মরণীয় করে রাখল নাইট রাইডার্স শিবির। দুর্ধর্ষ আরসিবিকে দুমড়ে মুচড়ে দিয়ে হারাল নীতিশ রানার দল।

প্ৰথমে শার্দূল ঠাকুরের বিধ্বংসী ব্যাট। তারপর নাইট স্পিনারদের সামনে আরসিবির সম্মিলিত ব্যাটিং বিপর্যয়- কেকেআরকে চলতি সিজনের প্ৰথম জয় এনে দিল। শার্দূলের বিষ্ফোরক ব্যাটে কেকেআর প্ৰথমে ২০৪ তুলেছিল। সেই রান তাড়া করতে নেমেই আরসিবি ধসে গেল মাত্র ১২৩ রানে।

বিশাল টার্গেট তাড়া করতে নেমে কোহলি-ডুপ্লেসিস ব্যাটে আগুন ঝড়ানো শুরু করেছিলেন ঠিক মুম্বই ম্যাচের মত। দুজনেই চড়াও হয়েছিলেন উমেশ যাদব, টিম সাউদির ওপর। তবে নারিন এসে ব্রেক থ্রু দেওয়ার পরেই ম্যাচ থেকে ধীরে ধীরে হারিয়ে যায় ডুপ্লেসিস বাহিনী। কোহলিকে নারিন বোল্ড করার পরের ওভারেই বরুণ চক্রবর্তীর শিকার ক্যাপ্টেন ফাফ। তারপরে বরুণ-ই তুলে নেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, হর্ষল প্যাটেলকে। তারপরে আর ফিরে তাকাতে হয়নি কেকেআরকে। ইনিংস যত গড়িয়েছে ততই নাইট স্পিনারদের কাছে আত্মসমর্পণ করে বসেছে ব্যাঙ্গালোর।

প্ৰথম ম্যাচে শোচনীয়ভাবে ব্যর্থ হয়েছিলেন বরুণ এবং সুনীল। পয়মন্ত ইডেন ফের দুই নাইট স্পিনারকে ফর্মে ফিরিয়ে দিল। নারিন ৪ ওভারে মাত্র ১৬ রান খরচ করে তুলে নিলেন দুজনকে। বরুণ চক্রবর্তী ৩.৪ ওভারে ১৫ রানের বিনিময়ে তুললেন ৪ উইকেট। এমনকি ভেঙ্কটেশ আইয়ারের বদলে ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার হিসাবে খেলতে নামা সুযশ শর্মাও তিনটে উইকেট তুলে নিলেন ইডেনে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *